মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd August ২০১৭

পরিচিতি

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম

 

নৌ পরিবহন অধিদপ্তর

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নৌ  পরিবহন অধিদপ্তর একটি রেগুলেটরি সংস্থা। সংস্থাটি ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়। মহা-পরিচালক অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে কার্য পরিচালনা করেন। অধিদপ্তর বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৩, ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬, বাংলাদেশ ফ্ল্যাগ ভেসেল (প্রটেকশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ ও সময় সময় সরকার কর্তৃক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রদত্ত কার্যক্রমসমূহ সম্পাদন করে। ১৯৭৬ সনে অধিদপ্তরের গঠন, এবং ১৯৮৩ সনে এনাম কমিটির রিপোর্ট এবং সরকারী আদেশ অনুযায়ী সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে নিম্নলিখিত অফিস সমূহ রয়েছে।

 

১।      নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস সমুহ :-

 

     ক. নৌ-বাণিজ্য দপ্তর, চট্রগ্রাম;

খ. সরকারী সমুদ্র পরিবহন অফিস, চট্রগ্রাম;

গ. নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর, চট্রগ্রাম;

ঘ. অভ্যন্তরীণ নৌ-যান জরীপ ও নিবন্ধীকরণ অফিস, ঢাকা/নারায়নগঞ্জ/বরিশাল/খুলনা;

ঙ. অভ্যন্তরীন নৌ-যান পরিদর্শনালয়, ঢাকা/নারায়ণগঞ্জ/চাঁদপুর/পটুয়াখালী/বরিশাল/খুলনা/ চট্রগ্রাম;

 

২।        অধিদপ্তরের বিসত্মারিত কার্যাবলী

 

ক)          জাতীয় কার্যাবলী ঃ-

  1. অভ্যন্তরীণ জাহাজের কর্মকর্তা/নাবিকদের যোগ্যতা সনদ পরীক্ষা গ্রহণ/পরিচালনা;  ২০০৯ সনে ১৫৬০ জন ইনল্যান্ড মাস্টার এবং ১৮২৩ জন ইনল্যান্ড ড্রাইভার মোট ৩৩৮৩ জনের পরীক্ষা গ্রহন করা হয়েছে;
  2. অভ্যন্তরীণ নৌযানের সার্ভে ও রেজিষ্ট্রেশন করা; ২০০৯ সনে মোট ৪৬৭৫টি ইনল্যান্ড নৌযান সার্ভে করা হয়েছে এবং ৬৪২টি অভ্যন্তরীণ নৌযান রেজিষ্ট্রি করা হয়েছে;
  3. অভ্যন্তরীণ নৌযানের নকশা ও ডিজাইন অনুমোদন; ২০০৯ সনে বিভিন্ন গ্রেডের ২১২ টি জাহাজের নক্সা অনুমোদন দেয়া হয়েছে; ১৯৫ টি মালবাহী, ৪টি তৈলবাহী, ৫ টি ফেরী, ৫ টি যাত্রীবাহী, ২ টি টার্মিনাল পন্টুন এবং ১ টি Wv¤^evR© ;
  4. আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মেরিন কোর্ট-এ বিচার কার্য পরিচালনা; ২০০৯ সনে মেরিন কোর্টে ৫০৫ টি মামলা দায়ের করা হয়; এই সময়ে পূর্বের দায়ের করা মামলা সহ মোট ৭৮১ টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়; 
  5. বে-ক্রসিং অনুমতি প্রদান; ২০০৯ সনে ৩৪৯টি বে-ক্রসিং অনুমতি প্রদান করা হয়;
  6. নৌ-দুর্ঘটনা তদন্ত করা; ২০০৯ সনে ২৬টি নৌ দূর্ঘটনার তদন্ত করা হয়েছে;
  7. ভ্রাম্যমান নৌ-আদালত পরিচালনা;
  8. ক্লাসিফিকেশন সোসাইটিসমূহের কার্যক্রম মনিটরিং করা;
  9. সকল ধরণের নাবিকদের চক্ষু পরীক্ষা গ্রহণ;
  10. অভ্যন্তরীন শিপিং অধ্যাদেশের আওতায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের অভ্যন্তরীন জাহাজ সমূহ রেজিষ্ট্রি ও সার্ভেকরণ;
  11. অভ্যন্তরীণ নৌযান পরিদর্শন;
  12. আইন অমান্যকারী নৌযান/মালিক/মাষ্টার-দের বিরুদ্ধে মামলা প্রদান;
  13. মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা করা।

 

খ)           আন্তর্জাতিক কার্যাবলী ঃ

  1. বাংলাদেশের বন্দরে আগত বিদেশী জাহাজ সমূহকে পোর্ট ষ্টেট কন্ট্রোলের আওতায় পরিদর্শনকরণ; ২০০৯ সনে ৮৭ টি জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে;
  2. বাংলাদেশের বন্দরে আগত সকল নৌযানের ফিটনেস যাচাইকরতঃ অনাপত্তি সনদ জারীকরণ; ২০০৯ সনে ২১৬১ টি অনাপত্তি পত্র জারী করা হয়েছে;
  3. সমুদ্র বন্দরে জাহাজের আগমন-নির্গমন অনুমতি প্রদান; ২০০৯ সনে চট্টগ্রাম বন্দরে ২০৮৮টি এবং মংলা বন্দরে ১৫১টি জাহাজের আগমন-নির্গমন অনুমতি প্রদান করা হয়েছে;
  4. সমুদ্রগামী জাহাজের চার্টারিং অনুমতি- ২০০৯ সনে ৩২ টি চার্টারিং পারমিশন প্রদান করা হয়;
  5. বাংলাদেশের সমুদ্রগামী ও উপকুলীয় জাহাজ এবং ফিশিং ট্রলার, ফিশিং বোট সমুহের রেজিষ্ট্রেশন, উহাদের বাৎসরিক সার্ভে কার্যক্রম পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট নৌযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সনদ জারীকরণ; ১১টি সমুদ্রগামী জাহাজ বাংলাদেশ ফ্ল্যাগের আওতায় রেজিষ্ট্রি করা হয়েছে;
  6. বাংলাদেশী জাহাজের অনুকুলে ভয়েজ লাইসেন্স জারী করনের লক্ষ্যে শিপিং অথরিটি হিসেবে দায়িত্ব পালন ;
  7. ফ্ল্যাগ ভেসেল প্রটেকশান অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর বাস্তবায়ন এবং উহার আওতায় প্রেসক্রাইবড অথরিটি এর দায়িত্ব পালন;
  8. নিরপেক্ষ মেরিন প্রফেশনাল সার্ভেয়ারদের লাইসেন্স জারী; ২০০৯ সালে ২২ টি শিপ মেরিন প্রফেশনাল সার্ভেয়ারদের লাইসেন্স জারী করা হয়;
  9. কুতুবদিয়া, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন বাতিঘর পরিচালনার মাধ্যমে নৌযান সমূহকে দিক নির্দেশনা প্রদান ও রাজস্ব আদায়;
  10. আমদানিতব্য জহাজ ভাঙ্গার অনাপত্তি পত্র জারী; ২০০৯ সনে ১৯০টি জাহাজের অনাপত্তি পত্র জারী করা হয়;
  11. আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নে কার্যক্রম গ্রহণ;
  12. বাংলাদেশের আওতাভুক্ত অঞ্চলে বিপদগ্রস্থ জাহাজ উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের mgš^q সাধন করা;
  13. বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে জলদস্যুতা ও অবৈধ কার্যক্রম রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা;
  14. রিসিভার অব রেকস হিসেবে দায়িত্ব পালন;
  15. বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় সংঘটিত নৌযান দূর্ঘটনার তদন্ত কার্য্য পরিচালনা এবং/অথবা mgš^qKiY;
  16. খসড়া মেরিটাইম বিধি-বিধান প্রণয়ন; পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি বিধির খসড়া প্রণয়ন করা হয়;
  17. বাংলাদেশ কর্তৃক ¯^v¶wiZ নৌ-সম্পর্কীয় আন্তর্জাতিক কনভেনশনসমূহ বাস্তবায়ন; ২০০৯ সন পর্যন্ত ২৩টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন Aby¯^v¶i করা হয়েছে;
  18. আইএলও বিধান মোতাবেক বাংলাদেশী নাবিকদের বরাবরে নাবিক পরিচয়পত্র জারী; এ কার্যক্রম জানুয়ারী’১০ হতে শুরুর পর এ পর্যন্ত ২৩৪ টি পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে;
  19. সমুদ্রগামী জাহাজের নবীন নাবিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান;  ২০০৯ সনে ৭৯৪জন নাবিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে;
  20. সমুদ্রগামী জাহাজের কর্মকর্তা/নাবিকদের যোগ্যতা সনদ পরীক্ষা গ্রহণ/পরিচালনা; ২০০৯ সনে সমুদ্রগামী জাহাজের ৭২৩ জন ডেক অফিসার ও ৫৭৪ জন ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসার মোট ১২৯৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে;
  21. ম্যানিং এজেন্টদের লাইসেন্স প্রদান; ২০০৯ সনে ৭ টি প্রতিষ্ঠনকে ম্যানিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে; বর্তমানে মোট লাইসেন্স প্রাপ্ত ম্যানিং এজেন্টের সংখ্য ৪৭;
  22. বিদেশী জাহাজে বাংলাদেশী নাবিক অধিক সংখ্যক নিয়োগ করে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহযোগিতা করা; ২০০৯ সনে ৯০০ জন নাবিক বিদেশে গমন করেছে;
  23. এসটিসিডব্লিউ কনভেনশন ও ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কর্মকর্তা, ক্যাডেট ও রেটিংদের প্রশিক্ষণ মনিটরিং করা;
  24. মেরিটাইম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মনিটরিং করা;
  25. আইএমও, আইএলও, আংটাড (UNCTAD), D-8 এবং শিপিং সংক্রান্ত অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা;
  26. অন্যান্য মেরিটাইম দেশের সাথে সম্পাদিত শিপিং চুক্তি বাস্তবায়ন করণ;
  27. এসটিসিডব্লিউ’৯৫ অনুযায়ী ট্রেনিং ও সনদায়ন বিষয়ে আইএমও সদস্য দেশসমূহের সাথে ¯^xK…wZcÖ`vbg~jK ব্যবস্থা গ্রহণ: ২০০৯ সালে ¯^xK…wZcÖ`vb সংক্রান্ত কোন MOU ¯^v¶i করা হয় নাই;
  28. বিশ্ব নৌ-দিবস উদযাপন;
  29. বিদেশে বিভিন্ন জাহাজে নাবিক হিসাবে কর্মরতদের মাঝে নাবিক পরিচয়পত্র জারী;
  30. রিক্যাপ (ReCAAP) এর ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন;
  31. বাংলাদেশ পতাকাবাহী জাহাজের ব্যবসায়িক ¯^v_© সংরক্ষণ;
  32. শিপিং বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান;
  33. শিপিং বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন;
  34. নৌ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ;
  35. জীবন রক্ষাকারী এবং অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রাদির সার্ভিসিং সংস্থা পরিদর্শন ও অনুমোদন প্রদান ;
  36. বাণিজ্যিক জাহাজের অফিসারদের চক্ষু পরীক্ষা গ্রহণ ;
  37. সমুদ্রগামী জাহাজের কর্মরত নাবিকদের আপডেটিং প্রশিক্ষণ প্রদান;
  38. বাংলাদেশ নৌ-বাণিজ্য অধ্যাদেশ-৮৩ এবং উহার আওতায় প্রনীত বিধিমালা মোতাবেক সমুদ্রগামী জাহাজে নাবিক নিয়োগ ও নিষকৃৃতি তদারকি করা ;
  39. সমুদ্রগামী জাহাজে নিয়োগ, নিষকৃতি এবং বেতন-ভাতা পাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশী নাবিকদের ¯^v_© রক্ষা করা;
  40. বাংলাদেশ নাবিক নিয়োগ বিধিমালা-২০০১ অনুসারে দেশী/বিদেশী জাহাজে মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী নাবিক নিয়োগ করা ও বাংলাদেশী নাবিক নিয়োগ বৃদ্ধি করা;
  41. নাবিক তহবিলে জমাকৃত ডেফার্ড ক্রেডিট এবং গ্রেচুইটির অর্থের পরিচালনা ও সংরক্ষন করা;
  42. বিধি মোতাবেক চুক্তিপত্রে ¯^v¶i, নবায়ন, চুক্তিপত্র সরবরাহ, ভয়েজ এন্ডোর্জমেন্ট, জাহাজের আগমন/ বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান, ধারাবাহিক নিষকৃতি সনদ, পরিচয়পত্র, রোষ্টার বুক, ইত্যাদি ইস্যু করা, কলকার্ড ইস্যু করা এবং বিদেশী নাবিকদের প্রত্যাবর্তনে সহযোগীতা করা ও বিভিন্ন ধরনের ফরম বিক্রয় ও রাজস্ব আদায় করন;
  43. মেরিটাইম বোর্ড এগ্রিমেন্ট/আই.এল.ও কনভেনশন অনুযায়ী জাহাজ মালিকদের নিকট হতে অর্থ আদায় পূর্বক মৃত/অসুস্থ/ক্ষতিগ্রস্থ নাবিকদের কিংবা তাদের উত্তরাধিকারীগণকে অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা করা;
  44. বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে দেশী/বিদেশী জাহাজ পরিদর্শন করা;
  45. নাবিক নিয়োগ/কর্মসংস্থান সৃষ্টি/বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সময় সময় সরকারকে পরামর্শ দেওয়া;
  46. নাবিক হোষ্টেলের মাধ্যমে নাবিক ও নৌ-কর্মকর্তাদের থাকা, খাওয়া, চিত্তবিনোদন ও চিকিৎসা ইত্যাদি সুবিধা প্রদান;
  47. জাহাজে কর্মরত নাবিকদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা, পানীয় ও অন্যান্য সুবিধাদি দেখাশুনার নিমিত্তে জাহাজ পরিদর্শন করে  তাদের ন্যায়ানুগ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাবিকদের ন্যায্য পাওনা, ক্ষতিপূরণ, বকেয়া বেতন ও অন্যান্য ¯^v_© সংশ্লি­ষ্ট বিষয়ে নাবিকদের আইনানুগ প্রাপ্তি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ;
  48. নাবিক সন্তান-সন্ততিদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানকল্পে (শিক্ষা অনুদান) সীম্যান্স এডুকেশন ট্রাষ্ট ফান্ড পরিচালনা করা এবং নাবিক কল্যাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কীম প্রণয়ন;
  49. জাহাজে চাকুরীকালে নাবিক পরিবারের প্রতি কোন প্রকার অত্যাচার, নির্যাতন কিংবা সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন বিরোধ ও অন্যান্য অসুবিধার ক্ষেত্রে (অভিযোগ প্রাপ্তি ¯^v‡c‡¶) স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে নাবিক পরিবারকে সহযোগিতা প্রদান;
  50. নাবিকদের বিভিন্ন সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা এবং চট্টগ্রামস্থ ব্যক্তিমালিকানাধীন বে-সরকারী মেরিটাইম ট্রেনিং ইন্সটিটিউট সমূহে পরিচালিত বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্স সমূহের মান উন্নয়ন কল্পে মনিটরিং;
  51. সীম্যান্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড, সীম্যান্স ওয়েলফেয়ার ফান্ড কমিটি, সীম্যান্স এমপ্ল­য়মেন্ট কমিটি, ম্যানিং এজেন্ট লাইসেন্স বাছাই কমিটি ইত্যাদিতে সদস্য/সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করা এবং আই.এম.ও, আই.এল.ও কনভেনশন, রিকমন্ডেশন ইত্যাদি বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট মতামত ও সুপারিশ প্রদান;

 

 

 

 

 

৩।        নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস সমূহের সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম -

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সমপাদনের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সকল নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস রয়েছে তার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিম্নে দেয়া হলোঃ

 

 

  1. নৌ-বাণিজ্য দপ্তর

এই অফিসের প্রধান কার্যালয় চট্রগ্রামে এবং শাখা অফিস খুলনায় অবস্থিত। প্রিন্সিপাল অফিসার অফিসের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। নৌ-বাণিজ্য দপ্তর মার্চেন্ট শিপিং অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর আওতায় সমুদ্রগামী ও উপকূলীয় জাহাজের সার্ভে ও রেজিষ্ট্রেশন, জাহাজ চলাচলের উপযুক্ততার সনদসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সনদপত্র এ অফিস হতে জারী করা হয়। কক্সবাজার, কুতুবদিয়া ও সেন্টমার্টিন  ৩ (তিন)টি বাতিঘর পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষণ এই অফিস হতে করা হয়ে থাকে। বাতিঘর সুবিধা প্রদান করায় বাংলাদেশ বন্দরে আগমনকারী বিদেশী জাহাজ হতে বাতিকর বাবদ বৎসরে প্রায় ছয় কোটি টাকা আয় হয়। জুন’১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর আওতায় রেজিষ্ট্রিকৃত জাহাজ সংখ্যা নিম্নরূপ ঃ-

 

নৌ-যানের ধরন

সংখ্যা

সমুদ্রগামী জাহাজ

  ৩৬

কোষ্টার         

 ৮৩

যাত্রীবাহী জাহাজ

  ১৫

ট্যাংকার

  ৯৫

মাছ ধরার নৌকা

৬,৭৫১

মালামাল পরিবহন নৌকা

২,৫৪৭

অন্যান্য

  ১৯৮

মোট

৯,৭২৫

 

  1. সরকারী সমুদ্র পরিবহন ( শিপিং) অফিস, চট্রগ্রাম:

১৯৪৮ সনে এই অফিসটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শিপিং মাষ্টার দাপ্তরিক প্রধান হিসাবে অফিসটি পরিচালনা করেন। নাবিকদের সমুদ্রগামী জাহাজে নিয়োগ, নিষ্কৃতি এবং নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক নাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এ অফিসের প্রধান দায়িত্ব। তাছাড়া অফিসটি নাবিক ও জাহাজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ নিসপত্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনসহ নাবিক কল্যাণে সরকারী বিভিন্ন নির্দেশ মোতাবেক দায়িত্ব পালন করে থাকে। নাবিক নিয়োগের জন্য রোষ্টার প্রথা চালু আছে। বর্তমানে ৩,৬৮৭ জন রেজিষ্ট্রার্ড নাবিক রয়েছে। তন্মধ্যে  ৫৬১ জন দেশীয় জাহাজে এবং ৯০০ জন বিদেশী জাহাজে চাকুরীরত আছে। নাবিকদের বেতন বাবদ দেশে বৎসরে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

 

 

 

  1. নাবিক প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর;

নাবিক সমপ্রদায়কে শোষন ও বঞ্চনার হাত হতে রক্ষা করার জন্য অবিভক্ত ভারতেই নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইতিপুর্বে পরিদপ্তরটি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ছিল। ১৯৮০ সালে পরিদপ্তরটিকে নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অধীন নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীনে ন্যস্ত করা হয়েছে। পরিদপ্তরের চট্রগ্রাম ও মংলায় দু‘টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। এই পরিদপ্তর নাবিকদের জন্য একটি নাবিক নিবাস পরিচালনা করছে। নাবিক নিবাসে নাবিকদের ¯^í মূল্যে থাকা এবং চিকিৎসার বন্দোবস্ত আছে। একজন পরিচালক পরিদপ্তরের প্রধান হিসাবে কাজ করেন। নাবিক কল্যাণ সমপর্কীয় আই,এল,ও কনভেনশন এবং আই,এম,ও কনভেনশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করা এবং দেশে বিদেশে বাংলাদেশী নাবিকদের কল্যাণ ও বিনোদন সংক্রানত্ম বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই এই পরিদপ্তরের মুখ্য দায়িত্ব।

 

  1. অভ্যনত্মরীণ নৌযান জরীপ নিবন্ধন অফিস, ( ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বরিশাল খুলনা );

অভ্যন্তরীণ নৌ-অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর আওতায় অভ্যন্তরীণ নৌযান জরীপ ও নিবন্ধিকরণের জন্য ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাতে এই অফিস রয়েছে। প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক এ অফিসের প্রধান কর্মকর্তা। নৌ-যানের কারিগরী মান নিয়ন্ত্রন, জীবনরক্ষাকারী ও অগ্নিনির্বাপনকারী সরঞ্জাম পরীক্ষা করণ ইত্যাদি এ সকল অফিসের মূখ্য ভুমিকা। জুন’১৪ পর্যন্ত এই সকল অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত নৌযান সংখ্যা  নিম্নরূপ ঃ-

নৌ-যানের ধরন

সংখ্যা

যাত্রীবাহী নৌ-যান

২,১৬২

মালবাহী নৌ-যান

২,০৮৮